১..জুনকো ফুরুতা -
১৭ বছর বয়সী জাপানিজ মেয়ে জুনকো ফুরুতা ২২ নভেম্বর, ১৯৮৮ সালে স্কুল শেষে ঘরে ফিরতে নিয়েও আর কখনোই ঘরে ফিরতে পারেনি। জোকামিসাকু এবং তার ৩ সাথী জুনকোকে কিডন্যাপ করে। তারপর একটি ঘরে তাকে ৪৪ (২৫ নভেম্বর - ৪ জানুয়ারি) দিন বন্দী করে রাখা হয়। এটাকে "44 days of hell" বলা হলে আরো স্পষ্ট হয়। অবাক করার বিষয় হলো, রেপিস্টরা জুনকোর ক্লাসমেট ছিল। কারণ বলতে গেলে, জুনকোর না করেছিল ছেলেটির সাথে রিলেশনসীপে যাওয়ার জন্য
২..সোহাগী জাহান তনু
১৯ বছর বয়সী তনু কুমিল্লা সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী তনুর মৃতদেহ ২০১৬ সালের ২০শে মার্চ কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে পাওয়া যায়। ও প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়তে গিয়ে তিনি নিখোঁজ হয়েছিল।
৩..মৌমিতা দেবনাথ
৩১ বছর বয়সী মৌমিতা দেবনাথ, পশ্চিমবঙ্গের RG Kar Medical College-এর চিকিৎসক। যার আহাজারির কথা এখন কারোরই অজানা নয়।
তিনটা ঘটনা, তিনটা দেশ, সংস্কৃতি আলাদা সবকিছু আলাদা। মিল শুধু একই জায়গায়। তা হলো মেয়ে এবং নারী। যারা মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়েও বেশি যন্ত্রণা সহ্য করে একবুক ঘৃ"ণা নিয়ে চলে গেল চিরদিনের জন্য।
চলুন আজ আপনাদের এই আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার এর আমলে আমার ৪০ দিন জেল হাজত এর গল্প শুনাই।
শুরুতেই বলি,আমার পরিবার এর কোন রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড নাই, কখনোই ছিলনা। আমি স্কুল জীবন থেকেই একজন হাবাগোবা, বেকুপ মার্কা ছেলে হিসেবে পরিচিত।আমি সেই স্কুল থেকেই রাজনীতি ত দূরের কথা, ঘর থেকে বের হওয়ার সাহস পেতাম না।রাজনীতি নিয়ে আমার কোনদিন কোন ইন্টারেস্ট জাগে নাই সেকাল একাল।স্কুল জীবন কোনরকম পার করে কলেজ জীবনে আসলাম।কলেজ জীবনে একাডেমিক পড়াশোনা আমি বলতে গেলে একদম করিইনাই কিন্তু কলেজ জীবন থেকেই আমার দু একজন ঢাবির বড় ভাই আর আমার ফ্রেন্ড নিশান থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিলাসিতা সম্পর্কে সবসময় শুনে আসতাম যেটা আপনারাও শুনে আসছেন হয়তো। এই থেকেই আমার মনে সবসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর জন্য আলাদা একটা আবেগ তৈরি হই গেছিল। যেভাবেই হোক, আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়া চাই।
এই নিয়ে, ইন্টার পরীক্ষা কোনমতে শেষ করে চট্টগ্রাম শহরে রওনা দিলাম,সাথে ছিল মাইন, তারেক ভাই।নিশান,মেহেদি আগে থেকেই শহরে একটা মেচ এ ছিল।তারপর আমরা ৬ বন্ধু মিলে চট্টগ্রাম শহরে চকবাজার এলাকার, রসুলবাগ আবাসিক এ একটা ফ্ল্যাট ভাড়া নিলাম। একটা কোচিং এ আমরা এডমিশন টেস্ট এর জন্য ভর্তিও হলাম।শুরু হই গেল আমাদের ঢাবি এর জন্য প্রিপেশন। দিন,রাত,সকাল,দুপুর সবাই পড়াশোনা নিয়েই থাকতো। পড়াশোনা ছাড়া আমরা এক্সট্রা কোনদিন কোনকিছু নিয়ে আলোচনা করিনি।যা আলোচনা ছিল তা শুধুই পড়াশোনা কারণ উদ্দেশ্য ছিল সবারই এক - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
বলে র